শয়তান কখনো চায় না, কোনো বান্দা যেনো আল্লাহর প্রিয় কাজ করতে পারে। তাই সে ধাপে ধাপে বিভিন্ন চাতুরী ও কৌশলে মানুষকে ভালো কাজ থেকে বিরত রাখে, কিংবা ভালো কাজ করেও যেনো তা নষ্ট করে ফেলে — সেই ফাঁদ পেতে রাখে।
#শয়তানের_প্লান
(হযরত মাওলানা শাহ তৈয়্যেব আশরাফ সাহেব দামাত বারকাতুহুম এর বয়ান থেকে সংগৃহিত)
শয়তান কখনো চায় না, কোনো বান্দা যেনো আল্লাহর প্রিয় কাজ করতে পারে। তাই সে ধাপে ধাপে বিভিন্ন চাতুরী ও কৌশলে মানুষকে ভালো কাজ থেকে বিরত রাখে, কিংবা ভালো কাজ করেও যেনো তা নষ্ট করে ফেলে — সেই ফাঁদ পেতে রাখে।
১. ভালো কাজ না করার ওয়াসওয়াসা
শয়তান সর্বপ্রথম চেষ্টা করে, বান্দা যেনো আদৌ কোনো ভালো কাজ না করে। নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত, দান-সদকা, দ্বীনি মজলিসে অংশগ্রহণ— সব কিছুতেই অলসতা, গাফিলতি, অনাগ্রহ তৈরি করে।
২. ভালো কাজ বিলম্বিত করার প্রস্তাব
যদি দেখে বান্দা ভালো কাজ করবেই, তখন সে বলে: “থাক, পরে করো”, “কাল থেকে শুরু করো”, “আরও ভালোভাবে প্রস্তুতি নিয়ে করো” ইত্যাদি। এভাবে বিলম্বের মাধ্যমে মানুষকে সুযোগ থেকে বঞ্চিত করে।
৩. লৌকিকতার ফাঁদ
বান্দা যখন ভালো কাজ করতে যায়, তখন শয়তান তার নিয়তে সন্দেহ তৈরি করে দেয়: “দেখো, লোকজন কি বলবে”, “নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ”, “কত সুন্দরভাবে করছো!” এভাবে সে খাঁটি নিয়ত নষ্ট করে লৌকিকতার দিকে নিয়ে যায়।
৪. ভালো কাজের পর অহংকার ও গর্ব
শেষে, যদি বান্দা খাঁটি নিয়তে ভালো কাজ করেই ফেলে, তখন শয়তান তার মনে গর্ব ঢুকিয়ে দেয়: “দেখো, তুমি কত বড় কাজ করেছো”, “তুমি তো অনেক বড় দ্বীনদার!”— এভাবেও সে বান্দার আমলকে ধ্বংস করে দেয়।
আল্লাহ তায়ালা নিজ দয়ায় আমাদেরকে হেফাজত করুন
লেখক
Admin
মাদরাসা মারকাযুল ইহসান এর ইসলামিক প্রবন্ধ ও শিক্ষামূলক লেখনীর অবদানকারী।
