নিয়ম-কানুন ও ছাত্র তথ্য বই
ছাত্রদের জন্য প্রয়োজনীয় সকল নিয়ম-কানুন, সময়সূচী, পরীক্ষা পদ্ধতি ও অভিভাবকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা
ছাত্রের অঙ্গীকারনামা — ১০ দফা
সর্বদা শর'ঈ হুকুম-আহকাম মেনে চলবো এবং সুন্নত ও আদাবের প্রতি যত্নবান থাকবো।
মাদরাসার সকল নিয়ম-কানুন মেনে চলবো এবং উস্তাদগণের আদেশ-নিষেধ পালন করবো।
নিয়মিত দরসে উপস্থিত থাকবো, বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত থাকবো না।
মোবাইল ফোন বা কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস সাথে রাখবো না।
ধূমপান, মাদকদ্রব্য ও অনৈতিক কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকবো।
সহপাঠীদের সাথে সদাচরণ করবো এবং ঝগড়া-বিবাদ থেকে দূরে থাকবো।
মাদরাসার সম্পত্তি ও আসবাবপত্রের যত্ন নেবো।
নির্ধারিত পোশাক পরিধান করবো এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকবো।
বিনা অনুমতিতে মাদরাসা ক্যাম্পাসের বাইরে যাবো না।
পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করবো না এবং সততার সাথে পরীক্ষা দেবো।
দারুল ইকামা (ছাত্রাবাস) নিয়মাবলী
ছুটি সংক্রান্ত নিয়ম — ৯ দফা
ছুটি নেওয়ার জন্য পূর্বে নির্ধারিত ফর্মে আবেদন করতে হবে।
অভিভাবক ছাড়া ছাত্র একা ছুটিতে যেতে পারবে না।
ছুটির মেয়াদে ফিরে আসতে হবে, অতিরিক্ত ছুটি কাটলে জরিমানা হবে।
অসুস্থতার ক্ষেত্রে দ্রুত মাদরাসা কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।
বছরে নির্ধারিত সংখ্যক ছুটির বেশি ছুটি নেওয়া যাবে না।
ছুটি থেকে ফেরার পর হাযিরা দিতে হবে।
জরুরী প্রয়োজনে মাদরাসা কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে।
ছুটির সময়ে মাদরাসার নিয়ম ভঙ্গ করা যাবে না।
দীর্ঘ ছুটির আবেদন অন্তত ৭ দিন আগে করতে হবে।
কুতুবখানা (লাইব্রেরি) নিয়মাবলী — ৭ দফা
লাইব্রেরি থেকে বই নেওয়ার জন্য লাইব্রেরি কার্ড থাকতে হবে।
একবারে সর্বোচ্চ ২টি বই ইস্যু করা যাবে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বই ফেরত দিতে হবে।
বই হারালে বা নষ্ট করলে সমপরিমাণ মূল্য পরিশোধ করতে হবে।
লাইব্রেরিতে নীরবতা বজায় রাখতে হবে।
রেফারেন্স বই লাইব্রেরির বাইরে নেওয়া যাবে না।
বইয়ের যত্ন নিতে হবে, পাতা ভাঁজ করা বা দাগ দেওয়া যাবে না।
বিভাগভিত্তিক সময়সূচী
হিফজ বিভাগের নেহায়মুল আওকাত
| ক্রম | কার্যক্রম | সময় |
|---|---|---|
| ১ | ফজরের পূর্বে ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়া | ফজরের জামাতের ১ ঘন্টা ১৫ মিনিট পূর্বে |
| ২ | সবক শুনানো | এশার নামাযের পূর্বে, পুনরায় ফজরের নামাযের পূর্বে |
| ৩ | সাথসবক শুনানো ও আমুখতা ইয়াদ করা | ৭.০০ টা পর্যন্ত (১ ঘন্টা ৪০ মিনিট) |
| ৪ | সকালের নাস্তা | ৭.০০ টা থেকে ৭.৩০ মিনিট পর্যন্ত (৩০ মিনিট) |
| ৫ | খতমীদের আমুখতা শুনানো ও সবকীদের আমুখতা ইয়াদ ও তিলাওয়াত | ৭.৩০ মিনিট থেকে ৮.৩০ মিনিট পর্যন্ত (১ ঘন্টা) |
| ৬ | মাশকুর মজলিস | ৮.৩০ মিনিট থেকে ৯.১৫ টা পর্যন্ত (৪৫ মিনিট) |
| ৭ | ঘুম | ৯.১৫ টা থেকে ১১.৩০ টা পর্যন্ত (২ ঘ. ১৫ মি.) |
| ৮ | গোসল | ১১.৩০ টা থেকে ১২.১০ মিনিট পর্যন্ত (৪০ মি.) |
| ৯ | সবকী ও খতমীদের আমুখতা শুনানো | ১২.১০ মিনিট থেকে ১.২০ মিনিট পর্যন্ত (১ ঘ.+) |
পরীক্ষা সংক্রান্ত নিয়ম-কানুন
প্রতি শিক্ষাবর্ষে ২ টি মাসিক পরীক্ষাসহ মোট ৫টি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। মাসিক পরীক্ষা কেবল খুসূসী জামাত থেকে শরহে বেকায়া জামাত পর্যন্ত।
কোরবানির ছুটির পূর্বে প্রথম মাসিক পরীক্ষা আর সমাহী (১ম সাময়িক) ও শশমাহী (২য় সাময়িক) পরীক্ষার মধ্যবর্তী সময়ে দ্বিতীয় মাসিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
প্রতিটি মাসিক পরীক্ষা ৩ দিনে নেয়া হবে। এ পরীক্ষার পূর্বে কোনো খেয়ার (সবক বন্ধ) থাকবে না।
প্রত্যেক সাময়িক পরীক্ষাতে খুসূসী থেকে তাকমীল পর্যন্ত সকল ছাত্রদের পর্যায়ক্রমে ১০ নাম্বারের পরীক্ষা হবে।
প্রত্যেক সাময়িক পরীক্ষাতে খুসূসী থেকে মীযান জামাতের ছাত্রদের উর্দূ ও বাংলা হাতের লেখার পরীক্ষা হবে।
সমাহী (১ম সাময়িক) ও শশমাহী (২য় সাময়িক) ইমতেহানের পূর্বে ৭ দিন তথা মঙ্গলবার থেকে সোমবার পর্যন্ত খেয়ার থাকবে এবং সপ্তাহের শুরুতে বৃহস্পতিবার পরীক্ষা চলবে। তবে সালানা (বার্ষিক) পরীক্ষায় বেফাক পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর যথারীতি ১০ দিন খেয়ার পরীক্ষা চলবে।
প্রতিদিন সকাল ৮.০০ টা থেকে ১১.৩০ মিনিট পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে পরীক্ষা চলবে।
সকল পরীক্ষার্থীকে কেন্দ্রে প্রবেশপত্র সঙ্গে রাখতে হবে। সাথে কলম-কালি ও বোর্ড ব্যতীত অন্য কিছু আনতে পারবে না।
পরীক্ষা আরম্ভ হওয়ার ৩০ মিনিট পূর্বে সতর্কীকরণ ঘন্টা বাজানো হবে। প্রত্যেক পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা আরম্ভ হওয়ার ১০ মিনিট পূর্বে অবশ্যই হলে প্রবেশ করে খাতা সংগ্রহ করতে হবে।
পরীক্ষা আরম্ভ হওয়ার ১৫ মিনিট পর কোনো পরীক্ষার্থীর হলে প্রবেশ করার সুযোগ থাকবে না।
প্রত্যেকেই প্রথমে খাতার প্রথম পৃষ্ঠা নিজ হাতে পূরণ করবে। অতঃপর দ্বিতীয় পৃষ্ঠায় হতে উত্তর লিখবে।
খাতা জমা দেওয়ার সময় দস্তখতপত্রে নিজের নাম, কিতাবের নাম ও রোলনম্বর দেখে দস্তখত করবে।
প্রশ্নপত্র পাওয়ার পর ১ ঘন্টার ভিতরেই প্রশ্ন বুঝে নিতে হবে। ১ ঘন্টা অতিবাহিত হওয়ার পর প্রশ্ন বুঝার জন্য কেউ দাঁড়াবে না।
কারো কোনো প্রয়োজন দেখা দিলে নিজ স্থানে দাঁড়াবে। স্থান ত্যাগ/কোনো শব্দ করবে না।
পরীক্ষার্থীগণ কোনো প্রকার লাল কলম-পেন্সিল ব্যবহার করবে না।
পরীক্ষার দেড় ঘন্টা অতিবাহিত হওয়ার পূর্বে উত্তরপত্র জমা দেয়া নিষেধ।
পরীক্ষা কেন্দ্রে বা বাহিরে কোনো প্রকার অবৈধ পন্থা অবলম্বন করবে না। কোনো অবৈধ পন্থার প্রমাণ পাওয়া গেলে তা বিহিতযোগ্য অপরাধ বলে গণ্য হবে।
পরীক্ষা শেষ হওয়ার ১৫ মিনিট পূর্বে সতর্কীকরণ ঘন্টা বাজানো হবে। সতর্কীকরণ ঘন্টা বাজার সাথে সাথে মূল খাতার সাথে লুজ পেপার সংযুক্ত করবে।
উপরোল্লিখিত কোনো বিধি লঙ্ঘন করা হলে শাস্তিযোগ্য বলে বিবেচিত হবে।
কোনো ছাত্র বার্ষিক পরীক্ষায় মূল কিতাবগুলোতে ফেল করলে পরবর্তী বছর তার জন্য উপযুক্ত জামাতে ভর্তি করা হবে।
প্রত্যেক সাময়িক পরীক্ষায় হিফজ বিভাগের ছাত্রদেরকে ৫পারা, ১০ পারা, ২০ পারা ও ৩০ পারা এবং নাযেরা ও মক্তবের ছাত্রদের পর্যায়ক্রমে ১০ নাম্বারের পরীক্ষা হবে (৮০%) পেয়ে ১ম, ২য় ও ৩য় স্থান অর্জন করবে তাদেরকে উপরোক্ত সুবিধা প্রদানের পাশাপাশি বিশেষ পুরস্কার দেওয়া হবে।
বেফাক পরীক্ষায় মেধা তালিকায় উত্তীর্ণ ছাত্রদেরকে মাদরাসার পক্ষ থেকে পরবর্তী শিক্ষাবর্ষে যে কোনো মজলিসে বিশেষভাবে পুরস্কৃত করা হবে ইনশাআল্লাহ।
নাম্বারো ও মক্তব বিভাগে ভিত্তিক পরীক্ষা নেওয়া হবে। উভয় বিভাগের যে সকল ছাত্রা প্রতি বিষয়ে মুমতায নম্বর (৮০%) পেয়ে ১ম, ২য় ও ৩য় স্থান অর্জন করবে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হবে।
উপরোক্ত কোনো নিয়ম ভঙ্গ করলে যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বেফাক পরীক্ষায় পুরস্কারের হার
| মারহালা | ১ম | ২য় | ৩য় | ৪র্থ-১০ম | ১১-শেষ |
|---|---|---|---|---|---|
| তাকমীল ও ফযীলত | ১০,০০০/- | ৮,০০০/- | ৬,০০০/- | ২,০০০/- | ১,০০০/- |
| সানাবিয়্যাহ | ৮,০০০/- | ৬,০০০/- | ৫,০০০/- | ২,০০০/- | ১,০০০/- |
| মুতাওয়াসসিতাহ ও ইবতেদাইয়্যাহ | ৭,০০০/- | ৫,০০০/- | ৪০০০/- | ২,০০০/- | ১,০০০/- |
| তাহফীজুল কুরআন | ৫,০০০/- | ৪০০০/- | ৩০০০/- |
অভিভাবকদের প্রতি দিকনির্দেশনা — ১৭ দফা
পাঁচ ওয়াক্ত নামায সময়মত মসজিদে জামাতের সাথে আদায় করা।
হাফেজ হলে দৈনিক কমপক্ষে ৩ পারা কোরআন শরীফ তিলাওয়াত করা।
হাফেজ না হলে দৈনিক কমপক্ষে ১ পারা তিলাওয়াত করা।
দৈনিক পিছনের পড়া চর্চা করা।
মা-বাবা ও মুরব্বিদের সাথে ভালো আচরণ করা।
ইসলামী পোশাক ব্যতীত ভিন্ন পোশাক না পরা।
টেলিভিশন না দেখা।
মোবাইল বা কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার না করা।
অসৎ বন্ধু-বান্ধবদের সাথে চলাফেরা না করা।
সর্বোপরি ছাত্রের আমল-আখলাকের প্রতি বিশেষ খেয়াল রাখা।
সর্বোপরি ছাত্রদের আমল-আখলাকের প্রতি বিশেষ খেয়াল রাখা।
ছাত্রের শিক্ষা-দীক্ষার সার্বিক দায়িত্ব মাদরাসা কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কোনো ছাত্র মাদরাসা থেকে পালিয়ে গেলে বা চলে গেলে মাদরাসা কর্তৃপক্ষকে দায়ী করা যাবে না।
ছাত্রের কল্যাণ কামনার্থে সর্বদা উস্তাদগণের সাথে যোগাযোগ রাখা।
মাসে কমপক্ষে একবার স্ব-শরীরে মাদরাসায় উপস্থিত হওয়ার চেষ্টা করা।
সমস্ত আর্থিক লেনদেন স্ব-হস্তে অথবা প্রতিনিধি মারফত করা। তবে ব্যাংক পদ্ধতিতেও পরিশোধ করা যাবে।
যে কোনো ছুটিতে বাসায় আসার পথে (আল্লাহ না করুন) ছাত্র কোনো দুর্ঘটনার শিকার হলে বা নারীদের জন্য বাহিরে যেতে পারবে।
ছাত্র সম্পর্কে আপনার কোনো মতামত/ভিযোগ থাকলে হিম্মাদার উস্তাদকে অবগত করুন।
তারানা / মুনাজাত
اے خدائے پاک رحمان و رحیم اے الالعالمین اے بے نیاز تو ہی مطبود اور توہی مقصود ہے تو کریم مطلق اور ہم ہیں گدا ہم گنہگار اور تو غفار ہے ہم ہیں ناچار اور تو ہے چارہ ساز ہم ہیں بے کس اور تو بے کس نواز تو وہ قادر ہے کہ جو چاہے کرے جس کو چاہے دے جسے چاہے نہ دے تو وہ داتا ہے کہ دینے کے لئے در تری رحمت کے ہردم ہیں کھلے تیرے در پر ہاتھ پھیلاتا ہے جو پانی لیتا ہے وہ ہر مقصود کو مانگنا ہم پر کیا ہے تو نے فرض اور سکھا ہم کو دئے آداب عرض مانگنے کا ڈھنگ بھی بتلا دیا مانگنے کو بھی ہمیں فرما دیا بلکہ مضمون بھی ہر ایک درخواست کا ہم کو یا رب تونے خود سکھلا دیا ہر گھڑی دینے کو تو تیار ہے جو نہ مانگے اس سے تو بیزار ہے آپڑے اب تیرے در پر یا الہ ہر طرف سے ہوکے ہم خوار و تباہ گرچہ یا رب ہم سراپا ہیں برے اب تو لیکن آپڑے در پر ترے ہاتھ اٹھاتے شرم آتی ہے مگر دل میں ہیں لاکھوں امیدیں جلوہ گر تو غنی ہے اور ہم ہیں بے نوا کون پوچھے گا ہمیں تیرے سوا ہم ترا در چھوڑ کر جائیں کہاں ہے تو ہی حاجت روائے دو جہاں صدقہ پیغمبر کا ان کی آل کا صدقہ اپنی عزت و اجلال کا یہ مناجات اور دعا مقبول کر اپنی رحمت ہم پہ اب مبذول کر
আরো তথ্যের জন্য
সিলেবাস, ভর্তি তথ্য ও ক্যাম্পাস সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন
