মুমিনের সম্মান রক্ষা করাই দ্বীনের মৌলিক আদব।
যদি সম্ভব হয়, তবে মুমিনের ইজ্জত অক্ষুণ্ণ রেখেই তার খেদমত করতে হবে এবং তাকে দ্বীনের পথে আহ্বান জানাতে হবে।
কাউক
মুমিনের সম্মান রক্ষা করাই দ্বীনের মৌলিক আদব।
যদি সম্ভব হয়, তবে মুমিনের ইজ্জত অক্ষুণ্ণ রেখেই তার খেদমত করতে হবে এবং তাকে দ্বীনের পথে আহ্বান জানাতে হবে।
কাউকে হেয় করে, অসম্মান করে কিংবা আলেমে দ্বীনের সামনে তাকে পাপিষ্ঠ ও গুনাহগার হিসেবে উপস্থাপন করে এভাবে দোয়া চাওয়া-
“হুজুর, সে নামাজ পড়ে না; দয়া করে দোয়া করুন যেন নামাজ পড়ে”-
এটি স্পষ্টভাবে তার অপমান।
আর এভাবে কাউকে অপদস্থ করা হারাম ও নাজায়েজ।
এর পরিবর্তে আদব ও হেকমতের সাথে এভাবে দোয়া চাওয়া উচিত-
“হুজুর, আমাদের সবাইকে যেন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সময়মতো আদায় করার তাওফিক আল্লাহ তায়ালা দান করেন-এই দোয়া করবেন।”
দ্বীনের খেদমত করতে হলে শুধু আবেগ ও জজবা যথেষ্ট নয়;
এর জন্য প্রয়োজন দ্বীনি বুঝ, হিকমত ও আদব।
-হযরত মাওলানা শাহ তৈয়্যেব আশরাফ সাহেব দামাত বারকাতুহুম-এর বয়ান থেকে সংগৃহীত
লেখক
Admin
মাদরাসা মারকাযুল ইহসান এর ইসলামিক প্রবন্ধ ও শিক্ষামূলক লেখনীর অবদানকারী।
