“তোমরা তার সাথে কোমল ও বিনয়ী ভাষায় কথা বল।”
দ্বীনি উপদেশের নীতিমালা
মুসলমানদের দ্বীনি উপদেশ ও নসিহতের ক্ষেত্রেও মহান আল্লাহ তাআলা আমাদের জন্য অনন্য শিক্ষা দিয়েছেন। যুগের শ্রেষ্ঠ নবী, হযরত মূসা আলাইহিস সালাম যখন মানবজাতির ইতিহাসে সর্বনিকৃষ্ট শাসক ফেরাউনের নিকট দাওয়াত দিতে গেলেন, তখনও আল্লাহ তাআলা তাকে আদেশ করলেন-
فَقُولَا لَهُ قَوْلًا لَيِّنًا
“তোমরা তার সাথে কোমল ও বিনয়ী ভাষায় কথা বল।”
এখানে শিক্ষা এই যে, হযরত মূসা আ. ছিলেন যুগের শ্রেষ্ঠ মানব, আর ফেরাউন ছিল নিকৃষ্টতম অত্যাচারী। তবুও সেখানে আল্লাহ তাআলার নির্দেশ হলো, রূঢ়তা নয়-বরং কোমলতা, অবজ্ঞা নয়-বরং বিনয়ের সাথে দাওয়াত পেশ করা।
তাহলে আমরা কারা? আমরা তো হযরত মূসা আ. এর মতো নই, আর যাকে দাওয়াত দিচ্ছি সে-ও ফেরাউনের মতো নয়।
তাহলে কেন আমাদের মুখে তাচ্ছিল্য, অবজ্ঞা আর অসম্মানের ভাষা শোভা পাবে?
দ্বীনের কাজ মানে শুধু বক্তৃতা নয়, বরং প্রথমে নিজের জীবন গড়া, নিজের আমলকে সাজানো।
আর দ্বীন প্রচারের সঠিক আদব-নীতিমালা কেবলই শিখা যায় আসল আলেম, আল্লাহওয়ালা ও আখলাকদার ওস্তাদদের সোহবতে থেকে। তারপর তাদের অনুমতি ও দোয়া নিয়ে দ্বীনের খেদমতে নামাই হলো নিরাপদতম পথ।
এ শিক্ষাই দিয়েছেন আমাদের প্রিয় বুজুর্গ,
হযরত মাওলানা তৈয়্যেব আশরাফ সাহেব (দামাত বারকাতুহুম)-
যার বয়ান থেকে সংগৃহীত এই অমূল্য উপদেশ আমাদের জন্য দিশারী।
লেখক
Admin
মাদরাসা মারকাযুল ইহসান এর ইসলামিক প্রবন্ধ ও শিক্ষামূলক লেখনীর অবদানকারী।
